কবিতাগুচ্ছ -- দেবাশিস মুখোপাধ্যায়

 

[চিত্রঋণ -- আন্তর্জাল]





ব্যক্তিগত 


(১)


নীরবতা তাল ঠুকছে না যদিও

বলে যাচ্ছে অনেক কিছু 

ছু কিত কিতের বেলা পেরিয়ে 

এখন গন্ডীর ভেতরে 

উথাল পাতাল হচ্ছে   

নাওয়ের শরীরে যেন জল নেই 

ভাটিয়ালি নেই আর চুপ খোলে

খুলছে না খাতা যাতে অক্ষর পড়বে 



(২)


এখন সোনাঝরা রোদ্দুরে নেই 

অন্ধকার ঘরের ভিতরে এক অন্ধ 

বিগত কর্কট মাখা দিনের স্মৃতি

রোমন্থন করে যায় আর আপসোস 

পোষা বেড়াল হয়ে কোলে চেপে বসে


(৩)


চুপ শব্দটির ভিতর চাপা কিছু থাকে 

তাকে সন্ধ্যা নামে ডাকি 

অন্ধকারের প্রদীপ তাকে দেখে 

আর উজ্জ্বল  

সে তখন দেবী না মা হয়ে ওঠে


(৪)


লক্ষণরেখা পেরোতে পারছি না

দানব সাধু সেজে বসে আছে 

সত্তরের আগুন কবে নিভে গেছে 

সমস্ত মিছিলকে মিছি মিছি ভেবে 

অক্ষরে দাবানল লাগাতে গিয়ে 

মৃত গাছদের অভিশাপ কুড়াই 

মাথার ভিতর পাগল ভুবন ফকির 

গান শোনাতে শোনাতে ঘুম পাড়ায়



(৫)


উপসংহার এখন অনেক দূর 

পথের মাঝখানে আকাশগঙ্গা 

মেঘের নৌকা দোলাচলে 

ছায়া পড়েছে হাজার গাছের 


দেয়াল থেকে বেরিয়ে এলে 

পাখিদের অর্কেস্ট্রা 

জলতরঙ্গ 

তারপর মেলা জ্যোৎস্না 

কুড়িয়ে নিলে দেদার খুশি 



নির্বাচিত লেখা

প্রিমিয়াম — জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়

  ব্লে ডের অভ্যেসটা অনেকদিন হল কেটে গেছে। দাঁত দিয়েই কাজ চলে যায়— যেভাবে মুহূর্তও চলে যায়, টিক টিক শব্দ শোনা যাক বা না যাক। তবু, মাসে অন্ততঃ...

বহু পঠিত লেখাগুলি