রান্নাঘর সিরিজ




চিত্রঋণ - আন্তর্জাল





রান্নাঘর ১ 

নিজেকেই টিপে দেখো
চেখে দেখো
রন্ধন হচ্ছ ঠিক মতো? 
ভাজার সাথে সাথে 
রঙ পালটাচ্ছে কি?
যতটা কষ্ট-- এই ভেজাল শরীরে
কড়াইয়ের তেলে কোনও ভেজাল নেই... আগুনেও না।


রান্নাঘর ২

হেঁসেলের ন্যাতা
এক কোণে পড়ে থাকে
ভিজে 
সারাটা দুপুর 
তোমারই মতো
পুরনো হলে
পাড় কিংবা আঁচল
ছিঁড়ে নাও, ফরফর করে 
ঠিক কোনও কাজে লেগে যায়।
ওই ন্যাতাটাও কত ছবিতে হেসে উঠেছে... 
মনে পড়ে?



রান্নাঘর ৩

পোড়া গন্ধ
নতুন করে চিনেছ, 
পৃথক পোড়া-গন্ধে ভিন্ন মন খারাপ 
ঝলসে যাওয়া
আলাদা করে পায় ।
কখনও কোথাও আগুন নেভাতে 
মেঘলা আকাশ, দুধ উথলে ওঠে
পুড়িয়ে ওভেন 
দহন অস্ত যায়।
দাগ আড়ালেরও রপ্ত হয়েছে কিছু উপায়
সয়েই গেছে ছ্যাঁকা, 
শেষ প্রহরে ফেটে যাওয়া ফোসকাটা
বেলা বাড়লেই অরন্ধনে হারিয়ে যায় 
অথবা উড়ে যায় ড্যান্ডেলিয়ন বীজের মত।



রান্নাঘর ৪

আঁকড়ে ধরলে রিকশার ছাউনি
অন্য হাতে ক্লিপবোর্ড
প্রশ্নপত্র
সিলেবাসের বাইরের কোনো প্রশ্ন
অস্বস্তিই বাড়াতে পারে।
ছেলে চেষ্টা করেছে, হয়ত আবোলতাবোল,
তোমারই মতো। 
শাসন করে যাচ্ছ ক্রমাগত, 
ছাউনিটা পিছু ছাড়ছে না।
তার ফাঁক দিয়ে দেখতে দেখতেই
আঁকড়ে ধরলে উত্তপ্ত কড়াইয়ের হাতল!
সেলাইবাক্সের পাশেই মলম রাখা থাকে।
তাকেই তো দেখেছিলে রিকশা থেকে এতদিন পর?
এখন শাসন বুলিয়ে নাও, বালিকার মতো মাথা নিচু করে
দেরি হলে আবার ফোসকা পড়ে যাবে।



[আশ্বিন, ১৪২৪] 


নির্বাচিত লেখা

প্রিমিয়াম — জয়দীপ চট্টোপাধ্যায়

  ব্লে ডের অভ্যেসটা অনেকদিন হল কেটে গেছে। দাঁত দিয়েই কাজ চলে যায়— যেভাবে মুহূর্তও চলে যায়, টিক টিক শব্দ শোনা যাক বা না যাক। তবু, মাসে অন্ততঃ...

বহু পঠিত লেখাগুলি